অনলাইনে ‘ই-নথি কর্মশালা’

৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ২২:০৮  
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বাস্তবায়নাধীন এবং ইউএনডিপি এর সহায়তায় পরিচালিত অ্যাস্পায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রামের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকারের ২৪ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের একান্ত সচিবগণের অংশগ্রহণে অনলাইনে অনুষ্ঠিত হলো ‘ই-নথি বিষয়ক কর্মশালা’। শনিবার অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলমের সভাপতিত্বে ও এটুআই-এর প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব)  ড. মোঃ আব্দুল মান্নানের পরিচালনায় কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে যুক্ত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব ও এটুআই-এর যুগ্ম-প্রকল্প পরিচালক ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ুন কবীর এবং নোয়াখালীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান এবং এটুআই-এর ন্যাশনাল কনসালটেন্ট (সিনিয়র সহকারি সচিব) মিজ নিলুফা ইয়াসমিন। উদ্বোধনী বক্তব্যে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী  ফরহাদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশে ডিজিটালাইজেশনের কারণে কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে সুপরিকল্পিত নীতির মাধ্যমে সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে। আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য প্রযুক্তি ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই। বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি কর্মকর্তারা নিজেদেরকে তৈরি করতে পারলে ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে এবং সকল কর্মকান্ডে নেতৃত্ব দিতে পারবেন। বক্তব্যে প্রযুক্তি নির্ভর এমন কর্মশালাগুলো নিয়মিত আয়োজনের জন্য এটুআই এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন প্রতিমন্ত্রী। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব জনাব এন এম জিয়াউল আলম বলেন, সরকারের ব্যতিক্রমী দৃষ্টিভঙ্গির কারণে ই-নথি এখন সারাবিশ্বে সমাদৃত হয়েছে। ২০১২ সালে ই-সার্ভিস কার্যক্রম শুরু হলেও সে সময় ইনফ্রাস্ট্রাকচার ততটা উন্নত ছিল না। কিন্তু বর্তমানে ইনফ্রাস্ট্রাকচার উন্নত হওয়ার পাশাপাশি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির ফলে ই-নথির কার্যক্রম প্রসারিত হয়েছে। তিনি বলেন, ই-নথি থেকে এর তৃতীয় সংস্করণে ডিজিটাল নথি’তে রূপান্তর কারার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যেখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স’সহ নানা ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে এবং নথির নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি আরো সুদৃঢ় করা হবে। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে ই-নথি ৮ হাজারের অধিক অফিসে কার্যক্রম পরিচালনা করলেও খুব দ্রুত ৪৫ হাজার সরকারি অফিসে ই-নথি কার্যক্রম প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। কর্মশালায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের সার-সংক্ষেপ, ই-সাইন, ই-নথির নতুন সংযোজিত বৈশিষ্ট্যসমূহ এবং ই-নথির নতুন ভার্সন সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।